apple iphone 18 pro max
১. নতুন ডিজাইন ও ডিসপ্লে
আন্ডার-ডিসপ্লে ফেস আইডি (Under-Display Face ID): আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে প্রথমবারের মতো ফেস আইডি সেন্সরগুলো স্ক্রিনের নিচে লুকিয়ে ফেলা হতে পারে। এর ফলে বর্তমানের ‘ডাইনামিক আইল্যান্ড’ (Dynamic Island) অনেক ছোট হয়ে যাবে বা পুরোপুরি উধাও হয়ে শুধু একটি ছোট ‘পাঞ্চ-হোল’ ক্যামেরা থাকতে পারে।
স্ক্রিন সাইজ: এটি আগের মতোই ৬.৯ ইঞ্চি ডিসপ্লেতে আসবে, তবে বেজেলগুলো আরও সরু হতে পারে।
২. ক্যামেরা বিপ্লব: ভেরিয়েবল অ্যাপারচার (Variable Aperture)
সবচেয়ে বড় চমক হতে যাচ্ছে এর ক্যামেরা সিস্টেম। লিক অনুযায়ী:
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে প্রথমবারের মতো মেকানিক্যাল ভেরিয়েবল অ্যাপারচার থাকবে। এর মাধ্যমে ডিএসএলআর ক্যামেরার মতো লেন্সের ছিদ্র ছোট বা বড় করে আলোর প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, যা পোর্ট্রেট মোড এবং রাতের ছবির কোয়ালিটিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
পিছনে তিনটি ক্যামেরাই ৪৮ মেগাপিক্সেল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৩. প্রসেসর ও পারফরম্যান্স (A20 Pro Chip)
এই ফোনে থাকবে অ্যাপলের শক্তিশালী A20 Pro চিপসেট, যা বিশ্বের প্রথম ২ ন্যানোমিটার (2nm) প্রযুক্তিতে তৈরি। এটি আগের চেয়ে ১৫% দ্রুত এবং ৩০% বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হবে।
গেমার এবং এআই (AI) ইউজারদের জন্য এতে ১২জিবি থেকে ১৬জিবি র্যাম থাকতে পারে।
৪. দাম ও রিলিজ ডেট (Release Date)
রিলিজ ডেট: প্রথা অনুযায়ী ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এটি উন্মোচিত হতে পারে।
নতুন লঞ্চ স্ট্র্যাটেজি: শোনা যাচ্ছে ২০২৬ সালে অ্যাপল শুধুমাত্র প্রো মডেলগুলো (১৮ প্রো এবং ১৮ প্রো ম্যাক্স) লঞ্চ করবে। স্ট্যান্ডার্ড আইফোন ১৮ মডেলটি ২০২৭ সালের শুরুতে আসতে পারে।
দাম: উন্নত প্রযুক্তির চিপ এবং ক্যামেরার কারণে দাম কিছুটা বাড়তে পারে। আমেরিকায় এর শুরুর দাম $১,১৯৯ – $১,২৯৯ এবং ভারতে প্রায় ১,৪৯,৯০০ রুপি হতে পারে।
৫. নতুন কালার ও অন্যান্য
কালার: নতুন রঙের তালিকায় কফি ব্রাউন (Coffee Brown), বারগান্ডি (Burgundy) এবং পার্পল (Purple) শেডগুলো আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
ব্যাটারি: এতে প্রায় ৫,১০০ mAh-এর বড় ব্যাটারি থাকতে পারে যা এখন পর্যন্ত আইফোনের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী।
